অমানবিকতার কোন পর্যায় এটা? দাফন করতে দেওয়া হচ্ছেনা মর দেহ!




শেষ হয়েছে গোসল, খোড়া হয়েছে কবর। তারপরেও ৬ দিন ধরে পরে আছে বাড়ির আঙ্গিনায়। পরে আছে মালয়েশিয়া প্রবাসী সেলিম মিয়ার মরদেহ। এমন চাঞ্চল্যকর খবরের সন্ধান পাওয়া গেল ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সরাইলে। নিহত স্বজনদের অভিযোগ, মৃতদেহ বিদেশ থেকে নিয়ে আসার পরিবহন খরচ না দেয়ার কারণে তাকে দাফন করতে দেয়া হচ্ছে না। আর পুলিশের দাবি কোন অভিযোগ পাননি তারা।

ছয় দিন ধরে মালয়েশিয়া প্রবাসীর মৃতদেহ পড়ে আছে তার বাড়ির আঙ্গিনায়। অথচ দাফন করতে পারছে না স্বজনেরা। ৯ বছর আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি দেন সেলিম মিয়া। ৩১ আগস্ট সেখানে মৃত্যু হয় তার। ৮ সেপ্টেম্বর তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। দাফনের সব প্রস্তুতির পর হঠাৎ মালয়েশিয়ার প্রতিবেশি করম আলীর ফোন আসে স্বজনদের কাছে। সেলিম মিয়ার মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্যে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে বলে দাবি করে করম আলী। করম আলী জানায়, টাকা পরিশোধ না করে দাফন করা যাবে না মরদেহ।

খোলা আকাশের নীচে রাখায় মরদেহে পচন ধরেছে। গন্ধও ছড়াচ্ছে এরই মধ্যে। পুলিশের কাছ থেকে মিলেছে দায় ঠেকানোর বক্তব্য। বলেছেন, কোন অভিযোগ আসেনি তাদের কাছে।

ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুপক কুমার সাহা বলেন, যদি কারো কারণে দাফন না করা হয়ে থাকে, সে বিষয়ে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ আসেনি। যেহেতু আমরা আপনাদের মাধ্যমে খবরটি পেয়েছি সেহেতু আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা প্রশাসনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দ্রুত এর সমাধান হবে এমন আশ্বাস তাদের।

সূত্র : নিউজ টোয়েন্টিফোর।

 

667 total views, 2 views today

Comments

comments